মেন্টালিষ্ট

মঙ্গলবার এপ্রিল ২৮, ২০২০ ০১:২৯

পাতাটি ৬০২ বার পড়া হয়েছে।

নাইকির ট্র্যাকসুট বটম আর রানিং সুজ পরে আম, জাম, কাঠাল ও সেগুন গাছের বাগানের পার্কে অনেকক্ষন জগিং করার পর একটু জিরিয়ে নেয়ার জন্য পার্কের কাঠের সুন্দর বেঞ্চিতে বসলেন দীর্ঘদেহী পঞ্চাষোর্ধ বয়সী সুঠাম শরীরের মনোবিজ্ঞানী মাসুদ খান। পাহাড়ী এলাকার এই অভিজাত পার্কটি মাসুদ খানের খুব পছন্দের যায়গা।

প্রতিদিন বিকালে ঘন্টা খানিক এখানে জগিং করা চাই ই চাই। ইউনিভার্সিটিতে পড়ানোর পর পার্কের এই ঘন্টাখানিক সময় তাকে প্রতিদিন সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরনা দেয়। বিকালের সোনা রোদ, পাখির কিচিরমিচির, ক্লান্ত মানুষের ঘরে ফেরা, আধা বন আধা পার্ক টাইপের এই স্থানটি তাই মাসুদ খানের এত প্রিয়। এখানে এই সময়টুকু কাটানোর সময় মনে হয় জীবন অনেক সুন্দর।

জগিং শেষে বিশ্রাম নিতে নিতে একটু তন্দ্রামত এসে গিয়েছিল। চোখ মেলতেই মাসুদ খান হকচকিয়ে গেলেন! দেখলেন আম, জাম, কাঠাল ও সেগুন গাছের পরিবর্তে উনি একটা ম্যাপল ট্রি সমৃদ্ধ বাগানের বসে আছেন। এছাড়া এই বসন্তে ফুটে আছে অনেক চেরী ফুল। যে স্থানটিতে বসে আছেন সেখানে কাঠের বেঞ্চের পরিবর্তে টাইটানিয়ামের ঝকঝকা বেঞ্চ। একটু আগেই দেখেছিলেন সেখানে অনেক মা শিশুদেরকে ট্রলি নিয়ে ঘুরতেছেন, সাথে পোষা কুকুর। কিন্তু এখন পার্কে স্থানে স্থানে শুধু কিছু যুগল দেখা যাচ্ছে কিন্তু কারো বয়স ই তিরিশের বেশী নয়। আকাশটি ও নীল নয় কেমন যেন নিষ্প্রভ লালচে।

যাক বাবা কোথায় এসে পড়লাম মনে মনে ভাবেন তিনি! মানুষগুলিও দেশী বাঙ্গালী নয়, এক একজন কে দেখে মনে হচ্ছে একাধারে এরা পৃথিবীর সব মহাদেশের মানুষের মত। না সাদা না কালো না বাদামী, এক অদ্ভুত মিশ্রন। পার্কের মাটি ও কেমন জানি অস্বাভাবিক রকমের লাল। ফুল ফল লতা পাতা কিছু কিছু চেনা যাচ্ছে আবার কিছু কিছু মনে হচ্ছে অন্য ভূবনের। আশে পাশের মানুষ যে ভাষায় কথা বলছে তা খুব একটা বোধগম্য ভাষা নয়, শোনা ও যাচ্ছেনা, মনে হচ্ছে মাঝে মাঝে একজন আরেকজনের দিকে একটু তাকায়। উনি একটু উঠে বসার চেষ্টা করলেন। নিজেকে একটু হাল্কা হাল্কা বোধ হল। এই রকম নানারকম বৈসাদৃশ্য দেখতে দেখতে তিনি কিছুটা ভীত, কিছুটা কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়লেন।

যখন ভাবছিলেন চির পরিচিত এই পার্কটি হঠাৎ এই রকম পাল্টে গেল কেমন করে? তখনি শুনলেন আকাশে মৃদুগুঞ্জন। তাকাতেই দেখলেন চার জন অতি হাসিখুশী মুখ একটা বাই-ভার্বাল করে এসে নামলেন। বাই-ভার্বালটি হেলিকপ্টার এর মত আকার। কিন্তু মোটামুটি বর্গাকার। নিচের দিকে চারটি পাখা এবং অসাধারন নিয়ন্ত্রন প্যানেল। চারজনের দুইজন পুরুষ দুইজন মহিলা। এদের বয়স উনত্রিশ তিরিশ হবে। বাইভার্বাল নিচে নামতেই পার্কের সবাই এক পলক তাকিয়ে যার যার খুনসুটি তে ফিরে গেল। কিন্তু মাসুদ সাহেবের বিস্ময়ের শেষ রইল না। আমি তবে কি পৃথিবীতে নেই? পৃথিবীতে তো এই রকম আধুনিক বাই-ভার্বাল তৈরি হয়নি এখনো। শুধু কল্পকাহিনীতে দেখা যায়।

চারজন আসার পর উনারা মাসুদ সাহেবের সামনে এসে দাঁড়ালেন। তারপর কথা বলা শুরু করলেন। কিন্তু ওমা ওদের তো ঠোট নড়ছেনা। কথাগুলি যেন কানো লাগানো হেডফোনের মত মস্তিষ্কে পৌছে যাচ্ছে। এই জন্যই এতক্ষন পার্কের মানুষগুলির কথা ওর কানে আসে নি।
শুরুতেই একজন পুরুষ কথা বললেন।

এঃ মাসুদ সাহেব আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছেন?
মাসুদঃ জ্বি ভাই শুনতে পাচ্ছি। আপনারা কারা?

এঃ F007 গ্রহে আপনাকে স্বাগতম। আমরা আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছি। আমরা এই গ্রহের বিজ্ঞান কাউন্সিলের প্রতিনিধি। এই গ্রহের নাগরিকদের অনুরোধে আমরা প্রতিবছর একজন মানুষকে আমাদের গ্রহে নিয়ে আসি। উনাকে নানারকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করি যা আমাদের গ্রহের মানুষ লাইভ দেখে। তারপর আমাদের গ্রহের অগ্রগতি নিয়ে উনাকে কিছুটা ধারনা দেই। তারপর আমরা তাকে তাঁদের গ্রহে ফিরিয়ে দেই। যাবার সময় বিনিময়ে আমরা তাকে একটা উপহার দেই। আপনি কি ভীত জনাব মাসুদ খান?
মাসুদঃ জ্বী। খানিকটা।

এঃ চিন্তা করবেন না। আমরা আপনার কোন ক্ষতি করব না, এবং আপনাকে আপনার সময়েই ফিরিয়ে দেব। চলুন তবে যাওয়া যাক?
মাসুদঃ কোথায়?
এঃ বিজ্ঞান কাউন্সিলে।

মাসুদঃ আমার কি না বলার সুযোগ আছে?
এঃ অবশ্যই। তবে আমাদের ধারনা না বললে আপনি আপনি ঠকবেন বলে বাকী তিনজনের দিকে তাকালেন এবং বাকী তিনজনের মুখে মুচকি হাসি। এই দেখে মাসুদ সাহেব ঠকতে চাইলেন না।

মাসুদঃ আমি রাজি। সবাই এইবার অনেকটা সন্তুষ্ট বলে মনে হল।
বিঃ মাসুদ খান চলুন উঠুন বাই-ভার্বাল এ।

সবাই আবার বাই-ভার্বালে চড়ে বসলেন, এবং বাই-ভার্বালের স্ক্রিনে তাকালেন সি এবং বাই-ভার্বাল চলতে শুরু করা মাত্র মাসুদ খান ভাবলেন সি ই তাহলে এটা চালানোতে খুব দক্ষ।
এসঃ স্বাগতম জনাব মাসুদ খান। চলুন আপনার জন্য বিজ্ঞান কাউন্সিল এর সব সভ্য অপেক্ষা করতেছে।
মাসুদঃ ধন্যবাদ। চলুন।

গিয়ে দেখলেন বিজ্ঞান কাউন্সিলের ১০জন এবং প্রথম চারজন সহ সি কে নিয়ে মোট পনেরজন বিভিন্ন আসনে বসলেন। বিজ্ঞান কাউন্সিলের ঘরটি একটি প্রাচীন ইউরোপিয়ান চার্চের ভিতরের মত এবং সাথে সাথে অত্যন্ত আধুনিক। দূর থেকে জানালা দিয়ে আলো আসতেছে।

কাঃপ্রঃ কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে আপনাকে জানাচ্ছি যে, আমরা আসলে অন্য ইউনিভার্সের হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের বিভিন্ন গ্রহ থেকে প্রতি বছর একজন করে বুদ্ধিমান প্রানী ধরে আনি। তাকে নানা রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করি, অসুস্থ হলে সুস্থ করে দেই, অনেকটা আপনাদের গ্রহের চিকিৎসার মত করে, তারপর আমাদের গ্রহ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাই এবং একটা উপহার দিয়ে ফেরত পাঠাই।

মাসুদঃ উপহার টা কি?
কাঃপ্রঃ আমাদের একটা কমিউনিকেশন ডিভাইস। যেটার সাহায্যে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের গ্রহে যতখুশী আসতে পারবেন। এই বলে কাঃপ্রঃ মাসুদ খানকে কম্পাস এর মত ডিভাইসটি কেমন করে কাজ করে বুঝিয়ে দিলেন এবং এই সময় কাউন্সিলের অন্যন্য সভ্যগন মন দিয়ে মাসুদ সাহেবের প্রতিক্রিয়া দেখছিলেন।

কাঃপ্রঃ শুরুতেই ভীতিকর পাঠ দিয়ে শুরু। আপনাকে এখন আমাদের স্বাস্থ কেন্দ্রে যেতে হবে। প্রথমে আপনাকে অজ্ঞান করে নেয়া হবে, তারপর পুরো শরীরের প্রতেক্যটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুলে নেয়া হবে, উন্নত করা হবে এবং পুনরায় জুড়ে দেয়া হবে। অবশ্যই আপনি কোন বেদনা অনুভূত করবেন না। পুরো অপারেশন আপনি নিজের চোখে দেখতে পারবেন, শুধু মস্তিষ্কের অপারেশন ছাড়া। আপনি কি ভীত?
মাসুদঃ অবশ্যই।

কাঃপ্রঃ আপনি চাইলে ফিরে যেতে পারেন অথবা এই সুযোগ গ্রহন করতে পারেন, তবে আমরা নিশ্চিত এতে আপনার অতিরিক্ত চর্বি, ফুসফুসের সমস্যা, বিষন্নতা সহ যেকোন সমস্যা আপনার অনেক কমে যাবে। আসলে আমরা আপনাকে আমরা মেন্টালিষ্ট বৈশিষ্টের কিছু দিয়ে দিব।

মাসুদঃ মেন্টালিষ্ট কি?
কাপ্রঃ মেন্টালিষ্ট হচ্ছে আপনার পৃথিবীর প্রযুক্তির বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পরের প্রযুক্তি। প্রযুক্তির দুনিয়ায় আপনারা খুব ই শিশু। মেন্টালিষ্ট হচ্ছে একধরনের মানবিক শক্তির ঐক্যতান। আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন বছর গবেষনা করে এই প্রযুক্তি আয়ত্ব করেছি। এই প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করে আমাদের গ্রহকে অসীম সংখ্যক শত্রুর হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছি।

আমরা কখনোই পরাজিত হইনি। আপনাদের পৃথিবীতে আইজাক আসিমভ নামে একজন বিজ্ঞানী এবং কল্পকাহিনীকার ছিলেন, তিনি মেন্টালিষ্ট নিয়ে কিছু কথা লিখেছেন, সময়ের চেয়ে এগিয়ে সেই বিজ্ঞানীকে আসলে আমরা কিছু শিখিয়েছিলাম, হয়ত ভবিষ্যতে আপনাকেও শিখাব  ।এই প্রযুক্তির মূল বিষয় হল আমরা আমাদের গ্রহের প্রতিটা জীবিত উদ্ভিৎ এবং প্রানীর শুভ শক্তিতে একত্রিত করে আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে এক অসীম চাপ প্রয়োগ করি। শত্রু কিছুতেই আমাদের এই অসীম চাপ সহ্য করে আমাদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে পারেনা। আমরা শুধু মনেই চাপ দেই। আপনাদের মত ঠুনকো পারমানবিক শক্তি আমাদের লাগেনা।

মাসুদঃ বুঝতে পেরেছি।
কাপ্রঃ বোঝার জন্যই আমরা পৃথিবীর সব চেয়ে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত বিজ্ঞানীকে এখানে ধরে এনেছি। পরিচিত হোন আমাদের গ্রহের প্রধান মেন্টালিষ্ট মহামতি জামাল নজরুল খান সাহেবের সাথে। জানখা মাসুদ সাহেবের দিকে তাকিয়ে হাসলেন। সাথে সাথে সাথে মাসুদ খানের মনে হল নিজেকে এখনি স্বাস্থ পরীক্ষায় উৎসর্গ করে ফেলা উচিৎ।

মাসুদঃ আমাকে কি আপনারা টাইম মেশিনে করে বিলিয়ন বছর সামনে নিয়ে এসেছেন?
জানখাঃ না আপনাকে আসলে আপনাদের ইউনিভার্স থেকে প্যারালাল একটি ইউনিভার্স এ নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের এখানে সময় বলে কিছু নেই, শুরু নেই শেষ ও নেই। সামনে কিছু নেই, পিছনেও কিছু নেই। আমরা বাস করি সময়হীন এক জগতে।
মাসুদঃ আপনাদের শিশুরা কোথায়?

জানখাঃ আমাদের শিশুরা গবেষনাগারে তৈরি হয়, সেখানেই রক্ষনাবেক্ষন করা হয়। তবে মা এবং বাবা থেকে শরীরবৃত্তীয় উপাদান সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত বয়ষ্ক হবার পর ওরা সেখান থেকে বের হয়, তারপর বয়স আরে বাড়ে না।

মাঃ আপনাদের অর্থনীতি?
জানখাঃ আমাদের এখানে সব সম্পদ ই সবার কল্যানে ব্যবহৃত হয়।
মাঃ আমার আরো অনেক অনেক প্রশ্ন আছে।
জানখাঃ এবং আপনার অসীম সময় ও আছে।

কাউন্সিল প্রধান মাসুদ খানকে অপারেশন সেন্টার এর দিকে নিয়ে গেলেন।
অপারেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার পর কাউন্সিল প্রধান মাসুদ খানের দিকে তাকালেন আর মাসুদ খান তন্দ্রার কোলে ঢলে পড়লেন। যখন জেগে উঠলেন তখন নিজেকে এক বিভীষিকাময় অবস্থায় আবিষ্কার করলেন। মাথায় কিছু ইলেক্ট্রোড লাগিয়ে জীবনদায়ী এক তরলে উনার ব্রেইনটাকে একটা টিউবে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

সারাজীবন সিগারেট খাওয়া এবং বায়ু দুষন এর কারনে যে ফুসফুসের বারোটা বেজেছিল তা আস্তে আস্তে কালো থেকে ঝকঝকা রুপে ফিরে আসছে। হার্টের চর্বি গলিয়ে ফেলে দেয়া হচ্ছে। শরীর থেকে অতিরিক্ত চর্বি ঝেড়ে ফেলা দেয়া হচ্ছে। রক্তকে বিশুদ্ধ করা হচ্ছে। কিডনীর ছাকনী উন্নত করা হচ্ছে। শরীরের প্রতিটি হাড়কে এক ধরনের নীলাভ আলোর নিচে রেখে শক্তিশালী করা হচ্ছে। হরমোন গ্ল্যান্ড উন্নত করা হচ্ছে, পঞ্চাষোর্ধ মাসুদ খানকে ৩০ এ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে এবং ব্রেইন যেন বলছে তিনি এই অবস্থায় থাকবেন অনন্তকাল। তারমানে তিনি অমরত্ব ও পেয়ে যাচ্ছেন? প্রত্যেকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উন্নত করা শেষে একটার সাথে আরেকটা জুড়ে যাচ্ছে। এইবার শুধু মস্তিষ্ক বাকী। চোখে তন্দ্রা নেমে এল আবার।

এর পর যখন তিনি জেগে উঠলেন তখন পরিপূর্ন শরীরের মাসুদ খান। অনুভুব করলেন প্রথম যৌবনের শক্তি। ব্রেইন হয়ে গেল ক্ষুরধার। যুক্ত হয়ে গেল সব মেন্টালিষ্ট দের সাথে। এই অভাবনীয় মেন্টালিষ্ট শক্তি দিয়ে অনুভব করলেন, মেন্টালিষ্ট দের এই মিলিত শক্তিকে হারাতে পারে কোন গ্রহের এমন শক্তি নেই। এখন আর কথা বলতে হয়না, প্রত্যকেটি মেন্টালিষ্ট এর চিন্তাধারা আলাদা করে অনুভব করা যায়, অনুভব করা যায় এদের শক্তিকে।

কাঃপ্রঃ ইশারা করতেই মাসুদ খান তাকে অনুসরন করলেন। মহামতি জামাল নজরুল খান তাকে আবারো হাসি দিয়ে বিদায় জানালেন, ইশারা করলেন প্রথম চারজন এঃ বিঃ সিঃ ডিঃ কে মাসুদ খানকে এই সুন্দর গ্রহটি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য। যদিও অন্য মেন্টালিষ্টদের চোখ দিয়ে তা চাইলে দেখা যায়। সাথে দিয়ে দিলেন একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস, যদিও তা একটি উপহার মাত্র, কারন মেন্টালিষ্ট দের এই ধরনের ডিভাইস লাগেনা নিজেদের যোগাযোগের জন্য।

গ্রহটি ঘুরিয়ে দেখানো শেষে উপহারটি দিয়ে মাসুদ খানকে আবার অন্য ইউনিভার্সের F007 গ্রহের সেই পার্কের বেঞ্চে বসিয়ে দেয়া হল। উনি চাইতেই উনার অতি প্রিয় গ্রহ পৃথিবীতে নিমিষেই চলে আসলেন। কিন্তু অন্যন্য মেন্টালিষ্টদের সাথে জোরালো সংযুক্তি অনুভব করলেন।

এবং আমরা পেলাম একজন ক্ষুরধার মস্তিষ্ক একজন মহান বিজ্ঞানী মাসুদ খান। কেউ জানলাম ও না তিনি আসলে একজন মেন্টালিষ্ট।

মতামত জানান