অপরাহ্ণ৷ দগ্ধকাঞ্চনবৎ সৌরদ্যূতি ক্রমে ম্লান হচ্ছে, দিগন্তবলয়ে আশ্রয়প্রার্থী দিনমণি৷ সারাদিনের প্রস্তুতি শেষে দিগন্তরেখার ওপারে চলে যাবে সূর্য৷ সে সময়ে শতাধিক শ্রমণকে অষ্টাঙ্গিক মার্গ শিক্ষা দিচ্ছেন ঋষি অমিতাভ৷ মঠের বহিঃদ্বারে দাঁড়িয়ে আছেন অপার্থিব সৌন্দর্যের অধিকারিণী এক নারী৷ দীঘলাঙ্গী, হরিণাক্ষী৷ নিম্নাক্ষীপাত হতে ঈষৎ উত্থিত৷ কপোলে মুক্তার মতো সফেদ বারিবিন্দু৷ কম্পিত অধরোষ্ঠ, স্নিগ্ধমায়াময়আরও পড়ুন

আকাশ আমার জন্য একটা নীল শাড়ি এনে হাতে দিলো আর বললো কাল এটা পড়ে আসবে আমরা ঘুরতে যাবো। এই বলে সে চলে গেলো আর আমি থ হয়ে তাকিয়েই রইলাম। সকাল হলো আমিও মনের আনন্দে ওর দেয়া শাড়িটা বের করলাম আর গায়ে জড়াতে লাগলাম মনে হচ্ছিলো ওর সংস্পর্শ অনুভব করছিলাম। একআরও পড়ুন

১৯ তম পাতার পর….. আমার সর্বাঙ্গে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যাচ্ছে। এই প্রথম শিউলীর সাথে মনের কথা শেয়ার করতে পারলাম। আরো অনেক কিছুই বলার ছিলো। মন চাইছিলো না এত সকাল শেষ করতে। কিন্তু ও প্রান্তে একজন গৃহবধু সে। তার অনেক দায়-দায়িত্ব থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় চ্যাট করলে শ্বশুর বাড়ির লোকদের খারাপআরও পড়ুন

তিনদিন পর আকাশের হুশ ফিরেছে৷ হাসপাতালের বেডে শুয়ে তার মনে পড়ছে রূপার কথা৷ কী সুন্দর মুখশ্রী রূপার! শান্ত, কোমল, মনোহারিনী! আকাশ ভাবতে পারে না, রূপা এমন করতে পারে৷ রূপার সাথে আকাশের পরিচয় হয়েছিল চকবাজারে এক বন্ধুর অফিসে৷ প্রেমে পড়ার সে পুরোনো পদ্ধতি, প্রথম দেখাতেই ভালো লাগা৷ সে তার বন্ধু নবীনকেআরও পড়ুন

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের বিছানায় পড়ে আছে অর্ধমৃত একজন লোক৷ এইমাত্র তাকে ভর্তি করা হয়েছে৷ মাথার লম্বা চুল ভিজে আছে তাজা রক্তে৷ পরনে কালো রঙের টিশার্ট৷ টিশার্টের বুকে সাদা ব্লকের লেখা Never Give Up রক্তে রাঙা হয়ে আছে৷ ডাক্তার এসেছেন, পরীক্ষা করে নার্সদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে গেছেন৷ শরীরে আঘাতের চিহ্ন বেশিআরও পড়ুন

৫ম পাতার পর… রাত এগারোটা দশ মিনিট। আকাশ কে অনলাইনে দেখে নক করলাম- কোথায় তুমি? সে বললো- আমি বাইরে আছি। – এখোনো বাইরে? কি করছো? – বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি। – ওহ আচ্ছা, বাসায় কখন যাবে? – কিছুখনের মধ্যেই চলে যাবো। – আচ্ছা বাসায় গিয়ে নক দিও। – ঠিক আছে।আরও পড়ুন

১৮ তম পাতার পর….. দিনের সিঁড়ি বেয়ে মাস, মাসের সিঁড়ি বেয়ে বছর। এভাবে অর্ধযুগ ফেরিয়ে গেল। ব্যস্তময় বাস্তব জীবনে আগের মতো সময় নেই, আবেগগুলো যেন কর্মের নীচে চাপা পড়ে গেছে। এর মধ্যে শিউলী ফুটফুটে দুই কন্যা সন্তানের মা হলো। আমিও দুই কন্যার বাবা হলাম। শিউলীর আর আমার জীবন বাস্তবতার দূরত্বআরও পড়ুন

সকাল নয়টায় এসে কাজী অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে আছে আবীর। গতকাল রাতে রূপকথা তাকে বলেছিল আজ সে আবীরকে বিয়ে করবে। আবীরের মনে আনন্দ ধরে না। অনেক সাধনার পর রূপকথা বিয়ে করতে রাজি হয়েছে, যদিও ছোট একটা শর্ত সে দিয়েছে। তিনশত টাকার রেভিনিউ ষ্ট্যাম্পে সাইন করতে হবে আবীরকে। একটাই মাত্র শর্ত, বিয়েরআরও পড়ুন

৪র্থ পাতার পর… বান্ধবীদের মুখে অনেক শুনেছি ভালোবাসার মানুষ যখন বুঝতে পারে অপর দিকেও ভালোবাসা বরাবর আছে তখনি অবহেলা শুরু হতে থাকে। এখন আমিও কথাটির প্রমান ধীরে ধীরে পাচ্ছি। আকাশ যখন বুঝতে পারলো আমার মনেও তার জন্য ভালোবাসার জন্ম হয়েছে তখন থেকে তার আমার প্রতি অবহেলা শুরু হয় (যা আমারআরও পড়ুন

১৭ তম পাতার পর….. শিউলীকে উঠিয়ে নেওয়ার দিন। ওদের বাড়িতে মহা ধুমধামে অনুষ্ঠান চলছে। আমাদের বাড়িতে ওদের বাড়ির মাইকের আওয়াজ ভেসে আসছে। বিয়ের গান বাজছে মাইকে। আমিও থাকার কথা সেখানে। কথা ছিলো সকাল থেকে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করবো। আমি আগে থেকেই অনেক স্বপ্ন মনের গহীনে লালন করে আসছি। অনুষ্ঠানেরআরও পড়ুন

১৬ তম পাতার পর….. তামান্নার উদারতার কাছে হার মেনে এগিয়ে চলছে আমাদের সংসার। এখন আগের মতো সারাদিন শিউলীর বিরহে মন খারাপ থাকেনা। মাঝেমধ্যে মনে পড়লেও তামান্না তা ধরে ফেলে। তখন মন ভালো করার অনেক বাহানা করে। এ যেন কোন রোগীর সেবা। ব্যথা উঠলেই ব্যাথানাশের চেষ্টা। তামান্না আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশআরও পড়ুন

৩য় পাতার পর…. প্রতিদিন কথা হতো না আমাদের, ব্যস্ততার কারনে। মাঝেমাঝে রাতে ভালোমন্দ কথা হতো সাথে কিছু প্রেমালাপও। এভাবে দিন কাটতে লাগলো আমরাও অনেকটা ক্লোজ হতে লাগলাম। আকাশ কে মনে মনে আমিও চাইতে লাগলাম তাকে প্রকাশ্য ভাবে বলা হয় নাই তবু ভালো লাগাটা মনে মনে গভীর হতে লাগলো। একদিন দুজনেআরও পড়ুন