গ্রামের ছেলেরা তাকে ফাতুপাগলা বলে ক্ষ্যাপাতো। এই নামেরও একটা ইতিহাস আছে। সে কথা পরে বলি। দীনদার পিতা তার নাম রেখেছিল আল্লাহর নবীর নামে। নবী সোলেমান। দাউদ নবীর ছেলে সোলেমানও নবী ছিলেন। জগদ্বিখ্যাত বাদশা। পৃথিবীর সকল প্রাণী, গাছ-গাছালি, এমনকী জীন-পরীরাও তার অনুগত ছিল। কহবাত আছে, বানোরা গ্রামের নবী সুলেমানেরও অনুগত পরীআরও পড়ুন

আজ সকাল থেকে দেশের আকাশে সূর্য্য ফকফক করছে। কিন্তু আমার ঘর মেঘাচ্ছন্ন। সূত্রপাতটা খুব সম্ভবত সকাল ৮টার দিকে। সাহরি এবং ফজর নামাজ শেষে আমার রুটিন ঘুম শেষ হওয়ার কথা সকাল ৯টায়। নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা আগে পিঠে প্রচন্ড এক ধাক্কা অনুভূত হলো এবং কানে ঘষেটি বেগমের ঘ্যানর ঘ্যানর আওয়াজ ভেসেআরও পড়ুন

আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন,তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন – আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে।” -আইনস্টাইন তো অবাক! উনি তখন বললেন “বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো” -এরপরেআরও পড়ুন

সাপ আর টাকি মাছের মাঝে খুব বন্ধুত্ব ৷ কিন্তু সাপ ছিলো বেজায় অহংকারী ৷ অহংকারের বশে সে কখনো ডানে, কখনো বাঁয়ে এভাবে হেলেদুলে চলত ৷ ভরা বর্ষায় দুই বন্ধু একদিন ঘুরতে বের হলো ৷ সাপ তার স্বভাব সুলভ রাজকীয় ভঙ্গিতে ডানে বাঁয়ে হেলে দুলে চলতে লাগল ৷ এতে সাপের টাকিআরও পড়ুন

৩য় পর্বের পর… কয়েকবার ভেবেছি তুলিদের বাসায় যাব। মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল ঘুরে আসবো। নানান কাজের ঝামেলায় আর যাওয়া হলো না। ্অনার্স মাষ্টার্স শেষে তুলি সিলেট গেলো বি,এড করতে। এর মাঝে জানলাম তুলির বিয়ের কথা চলছে। কদিন পর তুলি ফোনে বললো পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়েছে তবে কোনো ্অনুষ্ঠান এখন হয় নি।আরও পড়ুন

২য় পর্বের পর… ২০১৬ সালের দুর্গাপূজায় কুমিল্লা আসবে বলে জানালো তুলি। শুনে আনন্দ লাগছিলো দীর্ঘ দশ বছর পর তুলির সাথে দেখা হবে। ্অনেক পরিকল্পনা করতে লাগলাম বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াবো, গল্প করবো, খাবো, এত বছরের কত যে কথা জমে আছে। ্অবশেষে তুলি এলো পূজায়। আমাদের ্অপেক্ষার ্অবসান হলো। আমার তেমনআরও পড়ুন

১ম পর্বের পর… তুলির আর আমার একটা নেশা ছিলো তখন, আমাদের কুমিল্লার জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী আসিফের গানের কেসেট সংগ্রহ করা। যখনি আসিফের কোন নতুন ্অ্যালবাম বের হতো আমরা কেনার জন্য বেকুল হয়ে যেতাম। আমাদের স্কুলের পাশে একটা কেসেট দোকান ছিলো “মাইশা মিউজিক” সেখান থেকেই আমি আর তুলি কেসেট নিতাম। সেই কেসেটওআরও পড়ুন

তখন আমি নবম শ্রেণীতে পড়ি। তুলি আমাদের স্কুলে নতুন ভর্তি হয়। তারপর পরিচয় আর বন্ধুত্ব। নবম, দশম শ্রেণী ও এসএসসি পরীক্ষার সময় পর্যন্ত আমরা একই সাথে ্অনেকটা সময় কাটিয়েছি। আজও সেই দিনগুলো মনে পরলে ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় হাইস্কুল জীবনে। শাসন বারনের যন্ত্রণায় ্অতীষ্ট হয়ে তখন শুধু এটাই ভাবতাম কবেআরও পড়ুন

নয় বছরের সংসার ছেড়ে দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করছি বলে আমার মোটেই লজ্জা নেই, দুই বছরের মেয়ে শোভাকে কোলে নিয়ে পার্লারে বসে আছি বৌ সাজতে, আয়োজন যে ছোটখাটো তা নয়, সাতশ মানুষের দাওয়াত হয়েছে, বরযাত্রী আসবে ধরুন আরও পাঁচশো। প্রথমবার বিয়ে করেছিলাম যেই পুরুষকে তার বেলায় বিয়ের আয়োজন ছিলো কিন্তু এতোআরও পড়ুন

একেবারে ছোট বেলায় ঘুমের মাঝে কোন বৃহদাকার বিকৃত চেহারা দেখে ভয় পেতাম। মুহুর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তো চোখে-মুখে। শরীরের সমস্ত শক্তি একত্র করে আর্তচিৎকার দিয়ে উঠতাম। চিৎকারের শব্দে মা হকচকিয়ে উঠে আমায় জড়িয়ে ধরতো। মায়ের বুকের সাথে লেপ্টে থাকতাম। মা আমার শরীরের কম্পন অনুভব করতো, হৃৎপিন্ডের টিক টিক শব্দ অনুভব করতো।আরও পড়ুন

একটা বাস্তব জীবন কাহিনীঃ ৩ সপ্তাহ আগে আমার গার্লফ্রেন্ড এর বিয়ে ছিল! কিন্তু বিয়ে টা হয়নি। কারন,বিয়ের দিন আমি তাকে তুলে নিয়ে আসছিলাম।এবং কোর্ট ম্যারেজ করে ফেলি দুইজন! আমার বাবা মা বিষয়টা মেনে নিল না! বিধায় আমাকে বাসা থেকে বের করে দিল। অসহায় দুইটা প্রাণ ঘুরতেছিলাম…..! আমি ভাবলাম যত কষ্টইআরও পড়ুন

আলমগীর বাদশা মারা গিয়েছে৷ অনেকদিন আগের কথা, তেতুঁলতলার পুকুরঘাটের তালের গুড়ির নিচে তার লাশ পাওয়া গিয়েছিল৷ গ্রামময় রাষ্ট্র হয়েছিল, দুষ্ট জীন তাকে মেরে পানিতে ফেলে দিয়েছে৷ এ কাহিনী এখন আর কারো মনে থাকার কথা নয়, পুত্র শোক ভুলে গিয়েছে আলমগীর বাদশার মা ফতি বেগম৷ মাঝে মাঝে তার মনে পড়ে আলমগীরেরআরও পড়ুন