ছোট ফেনী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন হুমকির মুখে নির্মানাধীন ব্রীজ

ফেনী

সোনাগাজীর ছোট ফেনী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছোট ফেনী নদীর উপর নিমার্ণাধীন সাহেবের ঘাট ব্রিজ হুমকির মুখে পড়েছে। তাছাড়া শত শত একর ফসলি জমি ও ঘর-বাড়ি ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বালুদস্যুরা ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেনা। স্থানীয়দের মাঝে এনিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে দীর্ঘদিন ধরে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় , দীর্ঘ দিন যাবৎ ছোট ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে আসছে সোনাগাজী ও নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আ ‘লীগের কয়েকজন প্রভাব শালী নেতা । পশ্চিম চরদরবেশ ও পশ্চিম চরচান্দিয়া গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ি ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে এবং বহু এলাকা নতুন করে ভাঙনের মুখে পড়েছে। উপকূলীয় এ অঞ্চলের অসহায় ও নিরিহ লোকদের আহাজারী যেন শোনার কেউ নেই। বালু দস্যুদের সশস্ত্র ক্যাডার বালি মহালের আশেপাশে প্রতিনিয়ত সশস্ত্র মহড়া দিয়ে স্থানীয়দের শঙ্কিত করে তুলেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে ইতোমধ্যে বহু লোকের ফসলি জমি ও পুকুর ভরাট করে বালি বিক্রি করে যাচ্ছে বালুদস্যুরা। বালু পরিবহনকারী যানবাহনগুলো দেদারছে চলাচলের কারনে ওই এলাকার রাস্তা-ঘাটগুলো ইতোমধ্যে ভেঙ্গে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পশ্চিম চরচান্দিয়া গ্রামের কৃষক কাসেম জানান, প্রভাবশালীদের অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের কারণে তার দুই একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীণ হয়ে গেছে। ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা। জামাল উদ্দিন নামে এক কৃষক জানান, তার ফসলী জমি ও পুকুর ভরাট করে জোরপূর্বক বালু রেখে সেখান থেকে বিক্রি করছে দুর্বৃত্তরা। ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেনা। পশ্চিম চরদরবেশ গ্রামের আরেক বাসিন্দা কোরবান আলী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সে সহ বহু মালিকের প্রায় দেড় শতাধিক একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীণ হয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামীলীগের এক নেতা সাংবাদিকদের জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নোয়াখালী,ফেনী,-চট্রগ্রামের যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরী করতে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে সাহেবের ঘাট ব্রিজ।বৈধভাবে বালি উত্তোলনের ফলে এই নির্মাণাধীন ব্রিজটিও ভাঙনের চরম হুমকির মুখে রয়েছে। এছাড়াও বিস্তির্ণ জনপদের মানুষের ঘর-বাড়িগুলো ভাঙনের চরম হুমকির মুখে রয়েছে। চরদরবেশ ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম
জানান, ইতিমধ্যে সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। রহস্যজনক কারনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন
করায় তিনি হতাশা ব্যাক্ত করেন। সোনাগাজী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: নিজাম উদ্দিন জানান, এটি ঘোষিত কোন বালু মহাল নয়। এ ব্যাপারে সরেজমিন পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।এদিকে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *